মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ জুন ২০১৮

জামায়াতের বইয়ে কুরআন হাদিসের অপব্যাখ্যা রয়েছে - এ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা/ব্যক্তি কর্তৃক মুদ্রিত ও অনূদিত আল কুরআনুল করীমের অনুবাদে ভুল-ত্রুটি যাচাই-বাছাইয়ের তৃতীয় অগ্রগতি' সভায় বলেছেন।


প্রকাশন তারিখ : 2018-06-06
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ জুন ২০১৮॥ 
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেছেন, জামায়াতের বইয়ে কুরআন হাদিসের অপব্যাখ্যা রয়েছে যা পড়ে যুব সমাজ বিভ্রান্ত হচ্ছে। কুরআনের অনুবাদ করতে গিয়ে যদি ইচ্ছাকৃত কোনো ভুল ভ্রান্তি হয় তাহলে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে না। তিনি আজ (৫ জুন) মঙ্গলবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আগারগাঁওস্থ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা/ব্যক্তি কর্তৃক মুদ্রিত ও অনূদিত আল কুরআনুল করীমের অনুবাদে ভুল-ত্রুটি যাচাই-বাছাইয়ের তৃতীয় অগ্রগতি’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, পবিত্র কুরআনের উচ্চারণের তারতম্যের কারণে অর্থের হেরফের হয়ে যায়। তাই উচ্চ শিক্ষিত হক্কানী আলেম-ওলামাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কুরআনের অনুবাদে ভুল ত্রুটি পরিমার্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস এর গভর্নর আলহাজ্জ মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, পবিত্র কুরআনের তরজমা ও তাফসির নিয়ে বাংলাদেশের মুসলমানরা বিভ্রান্ত। বিশেষ করে অনেক যুবক এর মাধ্যমে বিভ্রান্ত হচ্ছে। তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন সর্বজন স্বীকৃত ও সর্বাপেক্ষা সহীহ্ভাবে পবিত্র কুরআন অনুবাদের দায়িত্ব নিতে পারে। 
সভাপতির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেছেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাহাবায়ে কেরাম বিশ্বকোষ, আউলিয়া কেরাম বিশ্বকোষ ও ফাতওয়ায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন রচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
 সভায় অন্যান্যের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নুরুল ইসলাম, পরিচালক মোঃ আবদুল হাই ভূঁইয়া, ড. মুহাম্মদ আবদুস সালাম, এ কে এম ফজলুর রহমান, ড. সৈয়দ শাহ এমরান, বোরহান উদ্দীন মোঃ আবু আহসান, আনিসুজ্জামান শিকদার, সাবেক পরিচালক এএমএম সিরাজুল ইসলাম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ইফার সাবেক গভর্নর আবদুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়র প্রফেসর ড. আহমদ আবুল কালাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুল কবীর, কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান ফকীহ মুফতি মাহমুদুল হাসান, জামিয়া আরাবিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুয্যামান, ড. ঈসা শাহেদী, মাওলানা জহিরুল ইসলাম মিঞা, মাওলানা মোঃ নূর হোসাইন, মাওলানা রুহুল আমিন সিরাজী, প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান ইউসুফ, শাইখ মুহাম্মাদ উছমান গণী ও মাওলানা সাইদুর রহমান মোখলেছী  প্রমুখ অংশ নেন।

Share with :

Facebook Facebook