মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ অক্টোবর ২০১৫

আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজগণের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান- সরকার কুরআন ও সুন্নাহর খেদমতের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে-ধর্মমন্ত্রী


প্রকাশন তারিখ : 2015-10-25

ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেছেন, সরকার কুরআন ও সুন্নাহর খেদমতের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারায় আজ বাংলাদেশ কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশেব শীর্ষস্থান অধিকার করতে পেরেছে। বাংলাদেশী হাফেজ ও ক্বারীগণ আন্তর্জাতিক হিফয  ও ক্বিরআত প্রতিযোগিতায় প্রায় প্রতি বছরই পুরস্কৃত হচেছন। গত কয়েক বছর ধরে আমাদের হাফেজ ও ক্বারীগণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মুসলিম বিশেব শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন। একটি অন-আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এ সমস্ত অর্জন বিশ্বসভায় প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি আজ (২৫ অক্টোবর, রবিবার) সন্ধ্যায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজগণের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
 

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের সভাপতিতেব অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মিসরের রাষ্ট্রদূত মাহমুদ মোস্তফা আইজ্জাত, ইরান কালাচারাল সেন্টারের পরিচালক আসগর খসরুয়াবাদী, বাহরাইন থেকে আগত জাস্টিস, ইসলামিক এ্যাফেয়ার্স ও ওয়াক্ফ মন্ত্রণালয়ের আল কুরআন ডাইরেক্টরেটের পরিচালক আবদুল্লাহ আবদুল আজিজ কাহতান আল ওমারি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব প্রফেসর মাওলানা মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের খতীব আল্লামা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন আল কাদেরী প্রমুখ।
 

ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান আরো  বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কুরআন ও সুন্নাহর খেদমতে যুগান্তকারী অবদান রেখে গেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের খেদমতে নানামুখী কাজ করে যাচেছন।
 

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, মানুষকে সুন্দর মানুষ বানানোর জন্য নায়েবে রাসূল হিসেবে আলেমগণ ভূমিকা রাখতে পারেন। নায়েবে রাসূল হিসেবে হাফেজদের গড়ে তোলার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন সহযোগিতা করবে।
 

উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্ধ-শতাধিক বাংলাদেশী হাফেজকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া হিফয প্রতিযোগিতার বিচারকসহ খ্যাতনামা হিফয প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পনেরো আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত হিফয প্রতিযোগিতার ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

 


Share with :

Facebook Facebook