মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ অক্টোবর ২০১৫

দীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ

ইসলামের শিক্ষা, আর্দশ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার, ধর্মীয় ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ উদযাপন, সাহাবায়ে কিরাম (রা), মুসলিম মনীষী ও জাতীয় নেতৃবৃ্ন্দের স্মরণ সভা এবং ইসলামের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা সভা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, তাফসীর, দরসে হাদীস, বিষয় ভিত্তিক ওয়াজ মাহফিল, ঈদ পুনমিলনী, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) প্রভৃতি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী গহন ও পরিচালনা, স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিতব্য কিরাআত ও হিফজ প্রতিযোগিতা বাছাই সহ ইসলামের শিক্ষা ও আর্দশ প্রচারের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাসত্মবায়ন করা দীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের অন্যতম কাজ। এ ছাড়া এ বিভাগ জাতীয় পর্যায়ে ফিতরা নির্ধারণ ও ঘোষণার ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির যাবতীয় আয়োজন এ বিভাগ থেকে হয়ে থাকে। এ কমিটি গঠিত হয় মহামান্য রাস্ট্রপতির আদেশে। এ কমিটিতে দেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম, আবহাওয়াবিদ, মহাকাশবিজ্ঞানী এবং উর্দ্ধতন সরকারী কর্মকর্তাগণ রয়েছেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ কমিটির সভাপতি এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এ কমিটির সদস্য সচিব। জাতীয় গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয়ে কুরআন, হাদীস ও ফিকাহর আলোকে সঠিক নির্দেশনা এবং সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা ও জনসাধারনের ধর্মীয় বিসয়ে জিজ্ঞাসার জবাব দানের জন্য রয়েছে তাফসীর, হাদীস ও ফাতওয়া শাখা। এ শাখার মুফতী, মুহাদ্দিসও মুফাসসির পদে তিন জন বিশেষজ্ঞ আলেম দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্মীয় বিসয়ে প্রকাশিত বইয়ের ব্যাপারে মতামতও এ বিভাগ থেকে দেয়া হয়ে থাকে। বিশ্ব বাণিজ্যে বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ তেকে রপ্তানীযোগ্য খাদ্য, পানীয় ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্য সুনির্দিস্ট প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা পূর্বক ‘‘হালাল সনদ’’ প্রদান করার দায়িত্ব পালনার্থে এই  বিভাগের আওতাদীন একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। বাণিজ্য উন্নয়নের লক্ষ্য এর কার্য পরিধি ও কর্ম তৎপরতা দিন দিন বেড়ে চলছে।

১৯৯৪ সাল হতে ২০১৪ সাল পর্যমত্ম প্রাপ্ত তৎানুযায়ী দীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি  বিভাগের অধীনের নির্বাচিত প্রতিযোগীগণ সৌদি আরব, দুবাই, লিবিয়া, মালয়েশিয়া ইরান, মিশর, জর্দান, তুরস্ক, আলজেরিয়া, ভারত, পাকিসত্মান ও কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আমত্মর্জাতিক হিফজ,কিরআত, তাফসীর ও ইমাম মুবালিস্নগ প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য়, ৩য় স্থানসহ বিভিন্নসত্মরে পুরস্কার পেয়েছেন। তাদের প্রাপ্ত পুরস্কারের পরিমাণ বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৪১ (একচলিস্নশ) কোটি ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ্য টাকা এবং স্বর্ণমুদ্রার পরিমাণ সর্বমোট ৩৬০ ভরি।

বাংলাদেশ ও মিশর সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পারস্পারিক সহযোগিতার লক্ষ্য মিশর সরকারের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণবৃত্তি নিয়ে আল-আযহার চুড়ান্ত নির্বাচনের প্রক্রিয়া এই বিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আগ্রহীদের যথাযথ আবেদনের প্রেক্ষিতে তাযকিয়া বা প্রশংসাপত্র দেওয়া হয়। এ বিভাগের অধীনে পরিচালিত আধুনিক আরবী ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ ভাষা ইনস্টিউটে উন্নীত করা হয়েছে। এ বিভাগের অধীনে মহিলা শাখা নারী সমাজের মাঝে ইসলামের প্রচার ও প্রসার এবং ইসলামী আর্দশ ও মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে কাজ করে।

দীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের মাধ্যমে আমত্মর্জাতিক পর্যায়ে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দল প্রেরণ করা হয়। ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কিত বিষয়াদির সম্মেলন, বক্তৃতামালা, বির্তক ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। বিশ্ব ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রাকার জন্য আমত্ম:ধর্মীয় সংলাপ অয়োজন করা হয়। পবিত্র কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। পবিত্র হজব্রত পালনের জন্য সরকারীভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। একজন পরিচালকের তত্ত্বাবদানে এ বিবাগের যাবতীয় কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হয়। 


Share with :